Create an Account

Shopping cart

Close

No products in the cart.

মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ হলেন গভর্নর: জেনে নিন কীভাবে

April 8, 2020
Posted by

করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে ফিরে সোমবার (৬ এপ্রিল) এমনই তথ্য দিয়েছেন তিনি।

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী। সময়ের সঙ্গে মহামারিতে রূপ নেওয়া করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকাই একমাত্র উপায় কারণ এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। তাই এই ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। কোয়ারেন্টিনে থাকার এই সময়টায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। এক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে দুটি উপাদান- মধু ও কালোজিরা। এবার তো মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাও সামনে এলো। আর ঘটনাটি হচ্ছে নাইজেরিয়ার ওয়ো রাজ্যের গভর্নর সেয়ী মাকিন্দে শুধু ‘মধু ও কালোজিরা’ খেয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন।

প্রিমিয়াম টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাকিন্দে টুইটারে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। পরবর্তীতে করোনার সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করেছেন। অবশেষে তিনি জয়ী হলেন। শুধু কালোজিরা আর মধু খেয়েই তিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। করোনার হাত থেকে বাঁচতে শরীরের ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার উপাদান আমাদের হাতেই রয়েছে।ইবাদানের ফ্রেশ এফএম-এ এক অনুষ্ঠানের সময় টেলিফোন সাক্ষাত্কারে মি. মাকিন্দে বলেছিলেন যে, আইসোলেশনে থাকার সময় তিনি শুধু মধু, ভিটামিন সি ও কালোজিরা খেয়েছেন। বিঃদ্রঃ তিনি পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হওয়ার এক সপ্তাহে কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেন।

মাকিন্দে অনুষ্ঠানে বলেন, ওয়ো রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্বে নিয়োজিত আমার বন্ধু এবং ভাই ড. মুইদ্দিন ওলাতুনজি এসে আমাকে বলেন, আমি তোমার জন্য কালোজিরার তেল পাঠাচ্ছি। এটা তোমার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। আমি কালোজিরা তেলের সাথে মধু মিশিয়ে দিচ্ছি। সকালে ও রাতে এক চামচ করে খেতে হবে। সেগুলো খেয়ে আমি এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাই।

তিনি বলেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সমাধান রয়েছে। আমি যেভাবে ভাইরাসটি থেকে মুক্তি পেয়েছি। তেমনি এটি আমাদের বেশিরভাগ মানুষের জন্যও কর্যকর পদ্ধতি হবে। করোনার এই সময়ে আতঙ্কিত হলে চলবে না। চিকিৎসকের উপদেশ মেনে চললে অতি দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়। সুতরাং, অনাক্রম্যতা বাড়ানোর স্থানীয় সমাধান রয়েছে। আমাদের লোকদের হতাশ করা উচিত নয়। আমি যেমন আমার সিস্টেম থেকে ভাইরাসকে বের করতে সক্ষম হয়েছি, তেমনি এটি আমাদের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেও বের করা সম্ভব হবে।

আইসোলেশনে থাকার সময়ের কথা উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘এসময় আমি কিছুটা ওজন কমিয়েছি। মনে হয় এটা আমার জন্য ভালো। আপনি যখন আইসোলেশনে থাকবেন, তখন শুধু টেলিভিশন দেখা ও খাওয়ার মধ্যেই থাকার প্রবণতা হবে। এসময় আমি আমলা খেয়েছি। তবে আমি ট্রেডমিলও ব্যবহার করছিলাম।’

নিজ রাজ্যের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে আমরা যে কর্মসূচি নিয়েছি তা মেনে চলবো। লকডাউনের যে নির্দেশনা আছে তা মেনে চলবো।’

এদিকে নাইজেরিয়ার এখন পর্যন্ত ২৩৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন পাঁচজন।

ওয়ো রাজ্যের রাজধানী ইবাদানে পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিডিপি) এর একটি গণসমাবেশে অংশ নেওয়ার এক সপ্তাহ পরে মাকিন্দে করোনায় আক্রান্ত হন।

Continue Reading No Comments

কোভিড-১৯ : হাসপাতালে যাওয়ার সময় এই সতর্কতাগুলি মেনে চলুন ,

April 8, 2020
Posted by

দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অনেক সমস্যা দেখা দিলেও, রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সকলে একত্রিত হয়ে মেনে নিয়েছেন এই লকডাউনকে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে যদি আপনার কোনও শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় তাহলে আপনার কী করণীয় সেটা নিশ্চয়ই ভাবছেন। কারণ, এই মুহূর্তে যেকোনও হসপিটাল বা ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়া করোনা হওয়ার ঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়টা কোনও চেম্বার বা হসপিটালে না এসে অপেক্ষা করতে পারলেই ভালো হয়।

সমস্যাটা হয় বাড়ির শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। ছোটখাটো অসুবিধে হলে না হয় চিকিৎসকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার মাধ্যমে কিছু ওষুধ খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি কিছু বাড়াবাড়ি হয় তাহলে উপায় কী? চেম্বার বা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনও পথ খোলা থাকে না। আপনাকেও যদি এই ধরনের অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন।

আমরা সকলেই জানি করোনা ভাইরাস কীভাবে সংক্রমিত হওয়া ব্যক্তির শরীর থেকে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সংক্রমণ এড়াতে আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। এই ধরনের জরুরি অবস্থায় আপনি কোন কোন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন দেখে নিন আমাদের এই আর্টিকেলে। মেনে চললে সুস্থ থাকতে পারেন আপনিও।

যে জিনিসগুলি হাতের কাছে অবশ্যই রাখবেন

হাত ধোওয়ার সাবান, অ্যালকোহল বেসড হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার এবং সাময়িক স্বস্তি পেতে যে ওষুধগুলো গ্রহণ করেছিলেন সেই সমস্ত ওষুধ সঙ্গে রাখবেন। সাবান, স্যানিটাইজার হাসপাতাল বা চেম্বারে থাকলেও নিজের সুবিধার জন্য কাছে রাখবেন। শিশুদের ক্ষেত্রে, তাদের খাবার, ডায়াপার বাড়ি থেকে নিয়ে যাবেন।

কী করণীয়

২) চেম্বারে ঢোকার আগে নিজের হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। ৩) হাত ধোয়ার পর ডিসপোজেবল টিস্যু পেপারে হাত মুছে নিন এবং সঠিক জায়গায় ফেলুন। কাপড় বা রুমাল দিয়ে হাত মুছবেন না। ৫) হাত মুছে ফেলার পর অ্যালকোহল বেসড স্যানিটাইজার ভালো করে হাতে লাগিয়ে নিন। ৬) চেম্বারে যদি বেশি লোক থাকে তাহলে বাইরে অপেক্ষা করাই ভালো। বসতে চাইলে অন্য রোগীদের থেকে এক মিটারের ব্যবধানে বসবেন। ৭) মুখে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। ৮) ডাক্তারবাবুর রুমে ঢোকার আগে আরেকবার স্যানিটাইজার হাতে দিয়ে নিন। ৯) দেখানো হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আরেকবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগিয়ে বাড়ি ফিরবেন। ১০) বাড়ি ফিরে বাড়ির কোনও জায়গায় না বসে সোজা বাথরুমে গিয়ে স্নান করে নিন। সমস্ত জামাকাপড় সাবান দিয়ে কেচে নিন। ১১) চেম্বারে হাঁচি বা কাশি দিলে টিস্যু ব্যবহার করুন এবং তৎক্ষণাৎ টিস্যুটি উপযু্ক্ত স্থানে ফেলে দিন এবং হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন।

শিশুদের ক্ষেত্রে যা করবে

১) শিশুদের হাতও ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে দিন। ২) চেম্বারে শিশুকে ছেড়ে দেবেন না। নিজের কোলেই শিশুকে রাখবেন। আবার অন্যের কোলেও শিশুকে দেবেন না। ৩) শিশুর মুখের লালা যেন চেম্বারের মধ্যে না পড়ে সেদিকে নজর রাখবেন। ৪) শিশু যদি একটু বড় হয় তবে তাকেও মাস্ক পরান। বাচ্চা যাতে তার আঙ্গুল মুখের ভেতরে প্রবেশ না করে সেদিকে নজর দেবেন। ৩) বাচ্চাকে নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে রাখার ক্ষেত্রে কিছু খেলনা সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে প্রয়োজন ছাড়া সেগুলি বার করবেন না। বাড়ি থেকে নিয়ে আসার সময় খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে আসবেন এবং চেম্বার থেকে ফেরার পরেও খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে রাখবেন। ৪) ডাক্তার দেখানো হয়ে যাওয়ার পর একইভাবে বাচ্চার হাত পুনরায় সাবান জল দিয়ে ধুয়ে, মুছে দেবেন। ৫) বাড়ি ফিরে বাচ্চাকে গরম জলে স্নান করিয়ে দিন এবং তার কাপড় গুলি সাবান জল দিয়ে কেচে নিন। বিভিন্ন চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করতে এই ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে এই নিয়মগুলি কেবল করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য যেকোনও জীবাণুর থেকে রক্ষা পেতে মেনে চলার প্রয়োজন।

Continue Reading No Comments

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস: বিশ্ব মহামারী বা প্যানডেমিক রোগটি থেকে নিজেকে যেভাবে নিরাপদ রাখতে পারেন

March 25, 2020
Posted by

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিস্তর তথ্য এবং উপদেশ দিচ্ছেন।

আমি কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবো?

উপসর্গ বা লক্ষণগুলো কী?

Continue Reading No Comments

করোনাভাইরাস ঠেকাতে যা খাবেন

March 22, 2020
Posted by

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এখন আরো বিপজ্জনক মাত্রা পাচ্ছে। চীনের বাইরে ১০৩টি দেশ ও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য সেই পুরোনো কথা ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ প্রযোজ্য এখন।

কোনোভাবেই যেন প্রাণঘাতী এই ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে না পারে, সেই চেষ্টা করতে হবে আমাদের। ঘনঘন হাত ধোয়া, কারো হাঁচি, কফ থেকে দূরে থাকা, বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরা- এসব প্রাথমিক উদ্যোগ যেমন জরুরি, তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোও জরুরি। সেই জরুরি কাজের জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলে উপকার পাবেন। চলুন জেনে নেই রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়গুলো কী।

আমলকী খাওয়া: পুষ্টিগুণে ভরপুর আমলকী শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে অতুলনীয়। ভালো ফল পেতে চা-চামচের অর্ধেক আমলকি গুঁড়োর সাথে একটি রসুনের কোয়া থেতলে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।

নিম পাতা: অনেক আগে থেকেই ভারতীয়রা খালি পেটে কঁচি নিম পাতা চিবিয়ে খেতেন। এটি রক্ত পরিশুদ্ধ করে। কঁচি নিম পাতায় অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। 

মসলাদার চা: কয়েকটি তুলসী পাতা, এক টুকরো আদা ও পরিমাণ মতো গোল মরিচ মিশিয়ে চা পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

কমলার জুস: নিয়মিত এক গ্লাস কমলার জুসের সাথে সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাবেন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

আদা ও তুলসী পাতা: আদার রসের সাথে কয়েকটি তুলসী পাতা বেটে সেই রস পান করুন। এর সাথে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিলে উপকার পাবেন। এরকম মিশ্রণ প্রতিদিন পান করলে কফ দূর হবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

তুলসী ও গোল মরিচ: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৫/৭টি তুলসী পাতার সাথে এক চামচ মধু ও দুটো গোল মরিচ গুঁড়ো করে মিশিয়ে পান করুন। কিন্তু এরপর পানি পান করা যাবে না। 

শক্তিবর্ধক বড়ি: এক চা-চামচ গুঁড়ো হলুদ, এক চামচ গুড়, এক চামচ ঘি, এক চামচ শুকনো আদার পাউডার ভালো করে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। প্রতিদিন ২-৩টা করে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। 

হলুদ মেশানো দুধ: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক আগে থেকেই হলুদ মেশানো দুধ পান করার প্রচলন আছে ভারতীয় উপমহাদেশে। করোনাভাইরাসের মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস যখন ছড়িয়ে পড়ছে, তখন এক কাপ গরম দুধের সাথে চা-চামচের অর্ধেক হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে পান করলে উপকার পাবেন। 

Continue Reading No Comments

মৃত্যুর আগে বিজ্ঞানী রেখে গেছেন করোনার ভ্যাকসিন

March 22, 2020
Posted by

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। যদিও এটি বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের প্রয়াত এক বিজ্ঞানীর পরিবার দাবি করেছে, ওই বিজ্ঞানীর আবিষ্কার করা একটি ভ্যাকসিন (টিকা) করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হতে পারে।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে শতাধিক দেশে। বিশ্বের প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে এই সংবাদ আশাপ্রদ মনে হলেও, গবেষকরা এ ব্যাপারে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি।

বিজ্ঞানী এরিক ওয়ার্লো ২০১৪ সালে ৮৪ বছর বয়সে মারা যান। তবে এর আগে তিনি গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার রেখে গেছেন বলে পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে।

তার মেয়ে জেন (৬৫) জানিয়েছেন, এরিক এইচ-৫এন ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রতিষেধক হিসেবে বেসরকারি বিনিয়োগে একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছিলেন, যা কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। দাবি করা হচ্ছে, ভ্যাকসিনটি মানুষের ক্ষেত্রে একটি উপযুক্ত টিকা হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।

ভ্যাকসিন বিজ্ঞানী হিসেবে অবসর নেওয়া ওয়ার্লো মৃত্যুর আগে তাঁর গবেষণা এবং ফলাফল নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন। এটি পিয়ার-রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। তার পরিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গবেষণাপত্রটি ইতোমধ্যেই পাঠিয়েছেন। কারণ তারা মনে করছেন, এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তৈরি করা ভ্যাকসিন মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস নির্মূলে সহায়ক হবে।

জেন বলেন, ‘আমরা বিজ্ঞানী নই বা আমরা কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা ফার্মাসিউটিক্যালস সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নই। বর্তমানে ইতোমধ্যে যেখানে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির নানা পদ্ধতি এবং পরীক্ষায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে,  সেখানে এই গবেষণাটি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কঠিন হবে বলে ধারণা করছি। কিন্তু বৈশ্বিক জরুরি পরিস্থিতির এই মুহূর্তে আমরা মনে করি, করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন সমস্যার দ্রুত, সহজ এবং দরকারি সমাধান হতে পারে কিনা তা দেখার জন্য সত্যিই এ ভ্যাকসিনে নজর দেওয়া উচিত।’

জেনের মতে, ভ্যাকসিনটির প্রধান এবং অনন্য সুবিধা হলো- এটি নাকে ড্রপের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়, যা নাক এবং ফুসফুস রক্ষার প্রথম সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এবং স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিকালীন সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ভ্যাকসিনটি উৎপাদন করা সহজ এবং এর আগে ব্যাপকভাবে পরীক্ষা করাও হয়েছিল। পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলও খুব সফল ছিল।

এছাড়া আরেকটি অপ্রত্যাশিত এবং অনন্য প্রভাব হচ্ছে-ইতোমধ্যে সংক্রমণ উপসর্গ দেখানো পাখিগুলোর মধ্যে এই রোগের অগ্রগতি থামিয়ে দিয়েছিল ভ্যাকসিনটি।

মৃত্যুর কিছুদি আগে বিজ্ঞানী ওয়ার্লো ভ্যাকসিনটি পরিচালনা পদ্ধতির আরেকটি উপায় লিখেছিলেন। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন, কীভাবে এটি ‘অভূতপূর্ব নিরাময়’ প্রভাব ফেলেছিল।

জেন বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুভার্বের আগে তার বাবা এমন কিছু ঘটতে পারে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু হতাশ হয়েছিলেন যে তিনি তার ভ্যাকসিনের জন্য কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেননি। তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। মৃত্যুর ঠিক আগে তিনি ভ্যাকসিনটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং ব্যবহারের চূড়ান্ত উপায় তার ছেলে ও মেয়ে জন্য রেখে গেছেন।

বিজ্ঞানী ওয়ার্লো জীবদ্দশায় ইউএন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন এবং ইউকে ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টে ভ্যাকসিন টেকনোলজিস্ট হিসেবে ৫০ বছর কাজ করেছেন।

Continue Reading No Comments

করোনা নিয়ে ডা. দেবী শেঠীর পরামর্শ

March 22, 2020
Posted by

বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। ইতোমধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ। মৃতের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়িয়েছে।  প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সংক্রমণের আতঙ্কে ভুগছে বিশ্ববাসী।

বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা চেষ্টা করছেন প্রতিষেধক আবিষ্কারের। কিন্তু এরই মধ্যে করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারতে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে গত ১৮ মার্চ একজন মারা গেছেন।

করোনাভাইরাসের অন্যতম একটি উপসর্গ হচ্ছে জ্বর। কিন্তু জ্বর হলেই করোনাভাইরাসের পরীক্ষা না-করার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী। তার মতে, অতিরিক্ত পরীক্ষা ভবিষ্যতে বিপদ বাড়াবে। কেননা চাহিদার তুলনায় করোনার পরীক্ষার কিট অপ্রতুল।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রখ্যাত এই চিকিৎসকের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে। তিনি শিক্ষিত সমাজের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন- গুরুতর উপসর্গ প্রকাশ না-পেলে, শুধু মনের ভয় দূর করার জন্য যেন কেউ করোনা পরীক্ষা না করে। বরং আগে নিজের উপসর্গগুলো পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং খারাপ কিছু মনে হলে, তারপর পরীক্ষা করাতে হবে।

এই বিশিষ্ট চিকিৎসক বলেন, যদি কারো ফ্লু বা সর্দি থাকে, প্রথমে নিজেকে আইসোলেশন করে লক্ষণ ভালো করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। প্রথম দিন শুধু ক্লান্তি আসবে। তৃতীয় দিন হালকা জ্বর অনুভব হবে। সঙ্গে কাশি ও গলায় সমস্যা হবে। পঞ্চম দিন পর্যন্ত মাথায় যন্ত্রণা হবে। পেটের সমস্যাও হতে পারে। ষষ্ঠ বা সপ্তম দিনে শরীরে ব্যথা বাড়বে এবং মাথার যন্ত্রণা কমতে থাকবে। তবে পেটের সমস্যা থেকেই যাবে। অষ্টম ও নবম দিনে সব লক্ষণই চলে যাবে। তবে সর্দির প্রভাব বাড়তে থাকে। এর অর্থ আপনার প্রতিরোধক্ষমতা বেড়েছে এবং আপনার করোনা-আশঙ্কা নেই।’

এই চিকিৎসক সবশেষে পরামর্শ দিয়েছেন, ‘এক্ষেত্রে আপনার করোনা পরীক্ষার প্রয়োজন নেই। কারণ শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়ে গেছে। যদি অষ্টম বা নবম দিনে আপনার শরীর আরো খারাপ হয়, করোনা-হেল্পলাইনে ফোন করে অবশ্যই পরীক্ষা করিয়ে নিতে হবে।’ 

Continue Reading No Comments

প্রচলিত দুই ওষুধ দিয়ে করোনাভাইরাস নিরাময় সম্ভব!

March 22, 2020
Posted by

মাত্র তিন মাসে বিশ্বব্যাপী দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এ ভাইরাসে রোগাক্রান্ত হয়ে   এখন পর্যন্ত ৭ হাজার ১৬৪ জন মারা গেছেন। আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৮২ হাজার ৫৫০ জন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ করোনার ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির ক্লিনিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, প্রচলতি ওষুধের মাধ্যমেই করোনাভাইরাস নিরাময় সম্ভব।

বিজ্ঞানী দলটির দাবি, ক্লোরোকুইন এবং লোপিনাভার নামক ওষুধ করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যেতে পারে। বর্তমানে এই ওষুধ দুটি ম্যালেরিয়া এবং এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হচ্ছে। 

গবেষণায় নেতৃত্ব দেন প্রফেসর ডেভিড পেটারসন। তিনি বলেন, ম্যালেরিয়া এবং এইচআইভি চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ দুটি ইতোমধ্যে টেস্টটিউবে ভাইরাসটি নিশ্চিহ্ন করার সক্ষমতা দেখিয়েছে। এটি একটি সম্ভাব্য কার্যকর চিকিৎসা। থেরাপি শেষ হওয়ার পরে রোগীর শরীরে করোনাভাইরাস থাকবে না।

গবেষকদল রোগীর ওপর এই ওষুধের সক্ষমতা পরীক্ষা করতে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে একটি ক্লিনিক্যাল স্টাডি চালাবেন বলে জানিয়েছেন। বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে পেটারসন বলেন, এই মুহূর্তে আমরা যা করতে চাই তা হলো- অস্ট্রেলিয়াজুড়ে একটি বিশাল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালানো; অন্তত ৫০টি হাসপাতালে। আমরা যা করতে যাচ্ছি তা হলো একটি ওষুধ, বনাম অন্য ওষুধ, বনাম দুটি ওষুধের সংমিশ্রণ।’

এ মাসের শেষের দিকে স্বেচ্ছাসেবী রোগীদের মাধ্যমে এই ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চীনা রোগীদের ইতোমধ্যে এইচআইভি ওষুধ দেওয়া হয়েছে এবং প্রাথমিক ফল ইতিবাচক মিলেছে।

প্রফেসর পেটারসন বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমাদের চিকিৎসকেরা খুব আশ্চর্য হয়েছিলেন যে, এইচআইভি ওষুধ আসলে নতুন করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারে। কিন্তু শুরুতে কিছুটা সংশয় ছিল। কেননা নতুন ওষুধ পরীক্ষায় যেসব উপাদান যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন সেভাবে সেগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়নি।’

তবে এই গবেষণা এগিয়ে নেওয়ার আশ্বাস মিলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, অ্যান্টি-ম্যালেরিয়াল ওষুধ ক্লোরোকুইন অথবা এইচআইভি দমনের মিশ্র ওষুধ রিটোনাভি কিংবা উভয় ওষুধের সংমিশ্রণ করোনাভাইরাস নিরাময়ে সাফল্য এনে দেবে।

Continue Reading No Comments

উচ্চতা বাড়ানোর খাবার -মাত্র এক মাসেই উচ্চতা বাড়ায় এই ১৮টি খাবার!

March 12, 2020
Posted by

বিজ্ঞান বলে বয়স ১৮ বছর হয়ে গেলেই মানুষ আর লম্বা হয় না। কিন্তু মানবদেহ জীবনভরই উচ্চতা বাড়ানোর জন্য দায়ী হরমোন নিঃসরণ করতে থাকে। আর এই হরমোনই আমাদের উচ্চতা বাড়ার পেছনে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করে। পিটুইটারি গ্ল্যান্ড থেকে এই হরমোন নিঃসরিত হয়। বলা হয়ে থাকে কেউ যদি নিয়মিতভাবে একটি সুস্থ্য ও সক্রিয় জীবন-যাপন করতে পারেন তাহলে তার উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব। শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। এমন বিশেষ কিছু খাবার আছে যেগুলো উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক। আসুনে জেনে নেওয়া যাক।

১. কুমড়ো বীজ
এরা ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ। যা হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য জরুরি। এছাড়া এতে আছে অ্যামাইনো এসিড যা উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক ভুমিকা পালন করে। ১৫. শীম
শীমে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং প্রোটিন যা আপনার উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে। শীমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু এবং মাংসপেশি গঠনে কাজ করে। যা স্বাভাবিকভাবেই উচ্চতা বাড়ায়।

২. ডাল বা মটরশুটি
এই জাতীয় খাদ্য নানা ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টিতে সমৃদ্ধ যা উচ্চতা বাড়ায়। এছাড়া মটরদানা জাতীয় খাদ্যে কয়েকটি উচ্চতা বৃদ্ধির হরমোনও আছে।

৩. ব্রোকলি
এতে আছে উচ্চহারে ভিটামিন সি, আঁশ এবং আয়রন। এটি দেহের কার্যক্রম ঠিক রাখতে এবং দৈহিক বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোনের উদ্দীপনা বাড়াতে সহায়ক।

৪. শালগম
এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, খনিজ পুষ্টি এবং খাদ্য আঁশ। এটি আমাদের দেহের বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোন নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. গরুর দুধ
গরুর দুধে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম আমাদের হাড়ের উন্নয়ন ও হাড় শক্তিশালীকরণে কাজে লাগে। গরুর দুধে থাকা ভিটামিন এ দেহের ক্যালসিয়াম সংরক্ষণেও কাজ করে এবং এর সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে সহায়তা করে। ক্যালসিয়াম প্রাকৃতিকভাবে উচ্চতা বাড়ানোর সহায়ক উপাদানগুলোর একটি।

৬. ফল
মাল্টা, পেপে, আম, এপ্রিকোট এবং প্যাশন ফ্রুটে আছে ভিটামিন, পটাশিয়াম, আঁশ এবং ফোলেট। এর সবগুলো উপাদান হাড়ের বৃদ্ধি এবং উচ্চতা বৃদ্ধিতেও কাজ করে।

৭. তালের গুড়+দুধ
খালি পেটে এই মিশ্রণটি খেলে দুর্দান্ত ফল পাওয়া যায়। দুধের সঙ্গে তালের গুড় মিশিয়ে খালি পেটে দুধের কার্যকারিতা দশগুন বৃদ্ধি পায়। এই মিশ্রণটি খেলে সবগুলো পুষ্টি উপাদান সহজেই শুষে নিতে পারে আমাদের দেহ।

৮. কালো তিল+কাজুবাদাম+অশ্বগন্ধা+দুধ
অশ্বগন্ধা এইচজিএইচ হরমোন নিঃসরণের হার ঠিক রাখে। আর এ কারণেই এটি উচ্চতা বৃদ্ধিতে এতটা কার্যকর। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং ঘনত্ব বাড়াতেও কার্যকর। কালো তিলে আছে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন বি ও আয়রন। এটি ক্যালসিয়ামেরও ভালো উৎস। হাড়ের বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক এসব উপাদান। কাজুবাদামে আছে প্রচুর ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম যেগুলো হাড়ের বৃদ্ধিতে জরুরি খনিজ উপাদান।
আর এই সবগুলো উপাদান দুধের সঙ্গে মিলে উচ্চতা বাড়ায়। প্রতিদিন রাতে দুধের সঙ্গে এক চামচ অশ্বগন্ধা, কাজুবাদাম এবং কালো তিলের পাউডার মিশিয়ে পান করুন।

৯. সয়া বিন
সয়া বিনে যে প্রোটিন থাকে তা হাড় এবং টিস্যুর ঘনত্ব বাড়ায়। যা তাদের বৃদ্ধির জন্যও জরুরি। নিয়মিতভাবে খেলে আপনার হাড়ের আকার ভালো থাকবে এবং স্বাস্থ্যকর উন্নয়ন হবে। প্রতিদিন অন্তত ৫০ গ্রাম সয়া বিন খেতে হবে।

১০. বাদাম
বাদামও উচ্চ পুষ্টিগুনে সমৃদ্ধ। এতে যে ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যামাইনো এসিড থাকে তা দেহের টিস্যু মেরামত এবং নতুন হাড় ও মাংসপেশির বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে উচ্চতাও বাড়ে।

১১. সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি
অসংখ্য উপায়ে সবুজ পাতাবহুল শাক-সবজি আমাদের উপকারে আসে। এতে থাকে প্রচুর খাদ্য আঁশ, ভিটামিন এবং খনিজ পুষ্টি যা স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক। এছাড়া দেহের গ্রোথ হরমোন নিঃসরণে উদ্দীপনাও যোগায় তা।

১২. গাজর
এই খাবারটি ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। হাড়ে ক্যালসিয়াম সংরক্ষণ এবং হাড়ের বৃদ্ধিতে উৎসাহ যোগায় এসব উপাদান। প্রতিদিন অন্তত ৩টি করে গাজর খেলে দেহের উচ্চতা বাড়ে।

১৩. পূর্ণ শস্য
দেহ থেকে বর্জ্য নিঃসরণে সহায়ক পূর্ণ শস্যজাতীয় খাদ্য। যার ফলে আমরা যা কিছুই খাই না কেন তার কার্যকারিতা বেড়ে যায়। এই জাতীয় খাদ্য ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য দরকারি। এছাড়া এতে আছে ক্যালোরি যা বয়ঃসন্ধিকালে উচ্চতা বাড়াতে সহায়ক।

১৪. ডিম
ডিম উচ্চতা বাড়াতে সবচেয়ে কার্যকর জনপ্রিয় খাদ্য। ডিমে আছে ভিটামিন ডি, ক্যালসিয়াম এবং রিবোফ্ল্যাবিন। ডিমে থাকা উচ্চমাত্রার প্রোটিন উপাদান হাড়ের উন্নয়ন ও হাড়কে শক্তিশালীকরণে কাজ করে।
১৫. শীম
শীমে আছে প্রচুর ভিটামিন এবং প্রোটিন যা আপনার উচ্চতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে প্রধান ভুমিকা পালন করে। শীমে থাকা খনিজ উপাদান টিস্যু এবং মাংসপেশি গঠনে কাজ করে। যা স্বাভাবিকভাবেই উচ্চতা বাড়ায়।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

১৬.বাঁধাকপি
বাঁধাকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, প্রোটিন ও ফাইবার আছে; যা উচ্চতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি ক্যানসার প্রতিরোধ করে থাকে।

১৭.পালংশাক
পালংশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল। আর এই উপাদানগুলো উচ্চতা বৃদ্ধি করে থাকে। নিয়মিত পালংশাক খেলে অল্প কিছু দিনের মধ্যে উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।

১৮.ঢ্যাঁড়স
উচ্চতা বৃদ্ধিতে সহায়ক যেসব সবজি রয়েছে, এর মধ্যে ঢ্যাঁড়স অন্যতম। ঢ্যাঁড়সে আছে ভিটামিন, মিনারেল, কার্বোহাইড্রেট, পানি ও আঁশ, যা গ্রোথ হরমোনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে উচ্চতা বাড়াতে সহায়তা করে।

আঠারোর পরেও উচ্চতা বাড়ানো সম্ভব

Continue Reading No Comments

সকালে লেবুর রস খাওয়ার চমৎকার ১৬ স্বাস্থ্য উপকারিতা

March 12, 2020
Posted by

তৃষ্ণা মেটাতে লেবুর শরবতের ‍তুলনা নেই। তবে ঘুম থেকে উঠেই কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ। এরপর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর সকালের নাস্তা খান। এর ফলে শরীর অধিক পরিমাণে পুষ্টি শোষণ করতে সক্ষম হবে। বিশ্বজুড়ে লেবু খুবই জনপ্রিয় এবং প্রতিটি দেশের রান্নাঘরে এটি একটি অপরিহার্য খাবার। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও ফাইবার। তাছাড়া এটি উদ্ভিজ্জ যৌগ, খনিজ এবং দেহের জন্য প্রয়োজনীয় তেলে সমৃদ্ধ।চলুন এবার জেনে নিই লেবুর রসের চিত্তাকর্ষক সব উপকারিতা-

১। শক্তি বৃদ্ধি
লেবুর রস পরিপাক নালীতে প্রবেশ করে শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে। এটি মানসিক চাপ কমাতে ও মেজাজ ফুরফুরা করতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

২। কিডনির পাথর
লেবুতে উপস্থিত লবণ বা সাইট্রিক অ্যাসিড কিডনিতে ‘ক্যালসিয়াম অক্সালেট’ নামক পাথর গঠনে বাধা দেয়। সবচেয়ে সাধারণ কিডনি পাথরগুলোর মধ্যে এটি একটি।

৩। লিভার পরিষ্কার রাখে
লেবুতে বিদ্যমান সাইট্রিক অ্যাসিড কোলন, পিত্তথলি ও লিভার থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করতে সাহায্য করে।

৪। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধ
ভাইরাসজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে লেবুর রস।

৫। হজমে সাহায্য করে
লেবুর রস হজমে ব্যাপক সাহায্য করে। সেইসঙ্গে পরিপাক নালী থেকে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।এটি কোষ্ঠকাঠিন্যও দূর করে।

৬। ত্বক পরিষ্কার করে
লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের কোষের ক্ষয় প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয়, এই উপাদান শরীরে কোলাজেন তৈরি করে। যা মুখের অবাঞ্ছিত দাগ দূর করে ঔজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।

৭। ওজন হ্রাস
লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ রয়েছে। যা ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা খালি পেটে লেবুর রস খান, তাদের ওজন দ্রুত হ্রাস পায়। সুতরাং ওজন বৃদ্ধি নিয়ে চিন্তা না করে প্রতিদিন সকালে লেবুর রস খান।

৮। মূত্রনালীর সংক্রমণ দূর
যদি মূ ত্রনালীতে সংক্রমণ ঘটে। তাহলে প্রচুর পরিমাণে লেবুর রস পান করুন। এটি আরোগ্য লাভে সাহায্য করবে।

৯। চোখের স্বাস্থ্য
লেবুর রস চোখের স্বাস্থ্য নিয়ন্ত্রণ করে এবং চোখের সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করে।

১০। ক্যান্সার প্রতিরোধে
লেবু অনেক ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে এর জুড়ি মেলা ভার।

১১। ক্ষারের সমন্বয়

শরীরে হাইড্রোজেনের পরিমাণের উপর অনেকাংশে সুস্থতা নির্ভর করে। সর্বমোট পিএইচ বা পাওয়ার অফ হাইড্রোজেন স্কেল হল ১ থেকে ১৪। মানবদেহে ৭ মাত্রার পিএইচ থাকা স্বাভাবিক। এর থেকে কম বা বেশি হলে শরীরে রোগের বিস্তার হতে পারে। অ্যাসিডিক বা ক্ষারীয় ফল হলেও লেবু মানবদেহে পিএইচ’য়ের মাত্রা সমন্বয় করতে সাহায্য করে। বিশেষ করে যারা বেশি মাংস, পনির বা অ্যালকোহল গ্রহণ করেন তাদের জন্য লেবু সবচেয়ে বেশি উপকারী।

১২। রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার

লেবু পানি শরীরের রক্তবাহী ধমনী ও শিরাগুলোকে পরিষ্কার রাখে।

১৩। গর্ভবতী নারী ও গর্ভের সন্তানের জন্য ভীষণ উপকারিঃ

গর্ভবতী নারীদের জন্য খুবই ভালো লেবু পানি। এটা শুধু নারীর শরীরই ভালো রাখে না। বরং গর্ভের শিশুর অনেক বেশী উপকার করে। লেবুর ভিটামিন সি ও পটাশিয়াম শিশুর হাড়, মস্তিষ্ক ও দেহের কোষ গঠনে সহায়তা করে। মাকেও গরভকালে রোগ বালাই থেকে দূরে থাকে।

১৪। দাঁত ব্যথা কমাতেঃ

দাঁতের সমস্যা প্রতিরোধে সহায়তা করে। দাঁত ব্যথা কমায়।

১৫। বুক জ্বলা পড়া দূর করে

যাদের এই সমস্যা আছে রোজ আধা কাপ পানির মাঝে ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।

১৬। ওজন দ্রুত কমাতে

ওজন দ্রুত কমাতে সহায়তা করে। লেবুতে থাকে পেকটিন ফাইবার যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে।

সঠিক উপায়ে পানের নিয়ম

প্রথমে চিনি ছাড়া এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবুর রস মেশান। লেবুর রস বের করার জন্য জুসারও ব্যবহার করতে পারেন। এ থেকে লেবুর কিছু তেলও বের হবে যা কাজে লাগবে।

অবশ্যই ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে পান করবেন। সকালের নাশতার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া ভালো। দীর্ঘমেয়াদি উপকারিতা পেতে নিয়মিত লেবু পান করতে পারেন। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ পানীয় পান করবেন।

Continue Reading No Comments

বাদামের পুষ্টিগুণ-কোন বাদামে কী উপকারিতা?

March 12, 2020
Posted by

বাদাম আমাদের দেশে অত্যন্ত পরিচিত একটি ফল এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার। কিন্তু এই বাদাম শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা খুব কম মানুষেই হয়ত জানেন। বাদামে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিনের মতো , কাঠ বাদাম (আমন্ড) এবং কাজু বাদামে রয়েছে বিপুল পরিমাণ খাদ্য শক্তি। সব ধরনের বাদামেই এখন পাওয়া যায় আমাদের দেশে। তাই প্রতিদিন লবণ ছাড়া বাদাম খাবার অভ্যাস গড়ে তুললে আপনি থাকবেন সুস্থ ও ফিট।

আর আপনার খাদ্য তালিকায় কেন বাদাম রাখবেন, জেনে নিন তার কারণ–

* হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে বাদাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাদামে ওমেগা-৩ হার্ট ভালো রাখে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দূর করে।

* বাদামে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং আয়রন আছে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং দৈহিক গঠন সুন্দর করে।

• বাদাম হাড় শক্ত করে এবং রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি মৃত্যু ঝুঁকিও কমিয়ে আনে এটি।

* বাদাম মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং চিন্তা শক্তি বৃদ্ধি করে।

* গর্ভবতী নারীদের জন্য বাদাম অনেক উপকারী। এটি হবু মা এবং গর্ভের সন্তান উভয়ের সুস্বাস্থ্যের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

* বাদামে ভিটামিন আমাদের ত্বক মসৃণ রাখে এবং বয়সের ছাপ দূর করে। চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতেও এর ভূমিকা রয়েছে।

*বাদাম খেলে লিভার ও কিডনি ভালো থাকে। এটি শ্বাসকষ্ট ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।

* বাদামের ফাইবার রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে যা ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

* কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে যায় বাদাম খেলে।

* যারা উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য বাদাম অনেক কার্যকরী। নিয়মিত কাঠ বাদাম (আমন্ড) খেলে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়।

তবে যাদের হজমে সমস্যা আছে তারা অবশ্যই হজম ক্ষমতা বুঝে বাদাম খাবেন। যে বাদাম খেলে গ্যাস, অ্যাসিডিটি বা অ্যালার্জির সমস্যা হয় সে বাদাম এড়িয়ে চলা উচিত।

বিভিন্ন ধরনের বাদাম রয়েছে। প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও তেলের জরুরি উৎস বাদাম। পুষ্টিগুণে ভরপুর এ খাবার হূদযন্ত্রকে রাখে সুস্থ। চিনিমুক্ত বাদামে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট। এর স্বাদ মনোহরী— পরিমিত পরিমাণে বাদাম খেলে সুস্থ থাকা সম্ভব।

অনেক রকমের বাদাম বিশ্বে উৎপাদিত হয়। সব বাদামই পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। জানা যাক বাদামের খাদ্য উপাদান ও গুণাগুণ সম্বন্ধে।

চিনাবাদাম
চিনাবাদামে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ, বি, সি রয়েছে।

চিনাবাদামের উপকারিতা
১. ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চিনাবাদাম অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, যা ক্যানসার এবং হৃদযন্ত্রের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। নিয়ম মেনে প্রতিদিন পরিমাণমত বাদাম খেলে হার্ট সুস্থ্য থাকে।
২. চিনাবাদামে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি, যা দেহগঠনে সাহায্য করে।
৩. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি রোধ করে।
৪. এতে উচ্চ পরিমাণে নিয়াসিন থাকে, যা দেহকোষ সুরক্ষা করে ।

৫ । নিয়মিত বাদাম খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৬।বাদাম প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে।
৭।সকালে খালি পেটে বাদাম খান, দেখবেন শরীরে প্রচুর পরিমাণে এ্যানির্জ আসবে।

৮। চীনাবাদামকে গর্ভবতী নারীর জন্য খুব উপকারী বলে ঘোষণা করে ২০১৩ সালে পরিচালিত এক গবেষণায়। জার্নাল অব পেডিয়াট্রিতে প্রকাশিত প্রবন্ধে এ বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়। এ সময় চীনাবাদাম খেলে অনাগত শিশুর শরীরে তা প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগায় বলে উল্লেখ করা হয়।

আখরোট
আখরোটে আছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ভিটামিন।

আখরোটের উপকারিতা
১। হাড়ের গঠন শক্ত ও মজবুত করে।
২। ব্রেনে পুষ্টি জোগায় বলে স্মৃতিশক্তি ভালো থাকে।

৩। এ বাদাম খেলে প্রোস্টেট ও ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

৪। শরীরের কর্মক্ষমতাও বাড়ে।

পেস্তা বাদাম

পেস্তা বাদামে আছে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন।

পেস্তা বাদামের উপকারিতা

১। এটি রক্ত শুদ্ধ করে।

২। লিভার ও কিডনি ভালো রাখে।

৩। পেস্তা বাদাম হূদযন্ত্র সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৪। শরীরে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উত্পাদন করে, যা ফুসফুসের ক্যান্সার রোধে কার্যকর।

আস্ত পেস্তা বাদাম যেমন খাওয়া যায়, তেমিন সালাদ বা অন্য খাবারেও এর ব্যবহার দেখা যায়।

কাজু বাদাম

কাজু বাদামে আছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন-এ।

উপকারিতা
১। এটি রক্তশূণ্যতা কমিয়ে দেয়।
২। ত্বক উজ্জ্বল করে তথা চেহারার উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়।
৩। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে দেয়।

৪। ২০১০ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কাজু বাদাম ডায়াবেটিস রোগের প্রকোপ কমায়। রক্তে সুগারের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এ প্রকারের বাদাম কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও চীনে কাজু বাদামের তৈরি বিভিন্ন খাবার বেশ সুস্বাদু এবং জনপ্রিয়।


আমন্ডকাঠবাদাম
আমন্ডকে বাদামের রাজা বলা হয়। আমন্ডে আছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফলিক এসিড ও ভিটামিন ই।
আমন্ডের উপকারিতা
১। এটি শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ত্বকের নানা সমস্যায় খুব ভালো। সব বাদামের মধ্যে আমন্ডে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে।
২।নিয়মিত ৪-৫ টি আমন্ড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না।
৩। কোলন ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি খুব কম থাকে।
৪। আমন্ডতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে।
৫। আমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়। ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারী।
৬। আমন্ড বাটা নিয়মিত লাগালে বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৭। রক্তের চিনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য রাখে।

৮। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৯। কাঠবাদাম আমাদের মেধাশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

১০। এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধি না করেই শরীরকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও শক্তি জোগায়। হজমশক্তি বাড়িয়ে কাঠবাদাম এ ভূমিকা পালন করে।

Continue Reading No Comments
Back to Top

Welcome to Amar Pharma

Enter your email and we will send you a coupon with 50% off your next order!