Create an Account

Shopping cart

Close

No products in the cart.

করোনাভাইরাস ঠেকাতে যা খাবেন ?

March 22, 2020

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এখন আরো বিপজ্জনক মাত্রা পাচ্ছে। চীনের বাইরে ১০৩টি দেশ ও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য সেই পুরোনো কথা ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ প্রযোজ্য এখন।

কোনোভাবেই যেন প্রাণঘাতী এই ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে না পারে, সেই চেষ্টা করতে হবে আমাদের। ঘনঘন হাত ধোয়া, কারো হাঁচি, কফ থেকে দূরে থাকা, বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরা- এসব প্রাথমিক উদ্যোগ যেমন জরুরি, তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোও জরুরি। সেই জরুরি কাজের জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলে উপকার পাবেন। চলুন জেনে নেই রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়গুলো কী।

আমলকী খাওয়া: পুষ্টিগুণে ভরপুর আমলকী শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে অতুলনীয়। ভালো ফল পেতে চা-চামচের অর্ধেক আমলকি গুঁড়োর সাথে একটি রসুনের কোয়া থেতলে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।

নিম পাতা: অনেক আগে থেকেই ভারতীয়রা খালি পেটে কঁচি নিম পাতা চিবিয়ে খেতেন। এটি রক্ত পরিশুদ্ধ করে। কঁচি নিম পাতায় অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। 

মসলাদার চা: কয়েকটি তুলসী পাতা, এক টুকরো আদা ও পরিমাণ মতো গোল মরিচ মিশিয়ে চা পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

কমলার জুস: নিয়মিত এক গ্লাস কমলার জুসের সাথে সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাবেন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

আদা ও তুলসী পাতা: আদার রসের সাথে কয়েকটি তুলসী পাতা বেটে সেই রস পান করুন। এর সাথে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিলে উপকার পাবেন। এরকম মিশ্রণ প্রতিদিন পান করলে কফ দূর হবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

তুলসী ও গোল মরিচ: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৫/৭টি তুলসী পাতার সাথে এক চামচ মধু ও দুটো গোল মরিচ গুঁড়ো করে মিশিয়ে পান করুন। কিন্তু এরপর পানি পান করা যাবে না। 

শক্তিবর্ধক বড়ি: এক চা-চামচ গুঁড়ো হলুদ, এক চামচ গুড়, এক চামচ ঘি, এক চামচ শুকনো আদার পাউডার ভালো করে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। প্রতিদিন ২-৩টা করে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। 

হলুদ মেশানো দুধ: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক আগে থেকেই হলুদ মেশানো দুধ পান করার প্রচলন আছে ভারতীয় উপমহাদেশে। করোনাভাইরাসের মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস যখন ছড়িয়ে পড়ছে, তখন এক কাপ গরম দুধের সাথে চা-চামচের অর্ধেক হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে পান করলে উপকার পাবেন। 

Continue Reading No Comments

গরমে হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে পাঁচ পরামর্শ ?

March 7, 2018

হিটস্ট্রোক একটি জটিল স্বাস্থ্যগত সমস্যা। এটি গরমের সময় হয়। খুব গরমে তাপ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা অকার্যকর হয়ে দেহের তাপমাত্রা ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে চলে গেলে একে হিট স্ট্রোক বলে।

মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, পর্যাপ্ত ঘাম না হওয়া, বমি ও বমি বমি ভাব, হাঁটতে অসুবিধা, দ্রুত হৃদস্পন্দন ইত্যাদি হিট স্ট্রোকের লক্ষণ। হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে কিছু বিষয় জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

১. পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করা

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি পান করুন। এ ছাড়া জুস, ডাবের পানি, লেবু পানি ইত্যাদি পানীয় জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।

এসব খাবার শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে। এতে অবসন্নভাব, বমি, ক্লান্তি প্রতিরোধ হয়।

২.  সহজপাচ্য খাবার খান

গরমের সময় খাদ্যতালিকায় সহজপাচ্য খাবার রাখুন। অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, চর্বি জাতীয় খাবার শরীরের তাপ বাড়ায়। তাই এমন খাবার খান যেগুলো শরীরকে ঠাণ্ডা রাখে। এ সময় খাদ্য তালিকায় সবজি ও মৌসুমি ফল বেশি করে রাখুন।

৩. পকেটের মধ্যে পেঁয়াজ রাখুন

কথাটি শুনে হাসি পাচ্ছে? আসলে মজার বিষয় হলো, পকেটের মধ্যে পেঁয়াজ রাখলে এটি শরীরের তাপ শোষণ করতে সাহায্য করে এবং শরীরের তাপামাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখে। এটি আপনাকে দুর্বিষহ গরম থেকে রক্ষা করবে।

৪. পেঁয়াজ খান

গরমের সঙ্গে লড়াই করতে পেঁয়াজ খুব উপকারী খাবার। পেঁয়াজ, বিশেষ করে লাল পেঁয়াজের মধ্যে কুয়ারসেটিন নামক উপাদান রয়েছে। এটি আমাদের শরীরকে প্রশমিত করে এবং হিট স্ট্রোক প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৫. হালকা রঙের পোশাক পরুন

অতিরিক্ত গরমের সময় কালো বা খুব গাঢ় রঙের পোশাক না পরাই  ভালো।  কারণ, গাঢ় রঙের পোশাক তাপ বেশি শোষণ করে, আর হালকা রঙের পোশাক তাপ প্রতিফল করতে সাহায্য করে। তাই এ সময়  হালকা রঙের, সুতি কাপড়ের পোশাক পরুন। এতে শরীর ঠাণ্ডা থাকবে।

Continue Reading No Comments

কোলেস্টেরল বাড়ার ঝুঁকি কাদের বেশি?

March 7, 2018

কোলেস্টেরল একটি চর্বি জাতীয় উপাদান। রক্তে বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে রক্তনালিতে ব্লক হয়। এতে উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

রক্তে বাজে কোলেস্টেরল বাড়ার প্রবণতা কাদের বেশি, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩৪২৭তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. মো. তৌফিকুর রহমান। বর্তমানে তিনি কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কার্ডিওলজি বিভাগে বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন :  কোলেস্টেরল বাড়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ কারা ?

উত্তর : যাদের পারিবারিক ইতিহাস রয়েছে, যাদের পরিবারে কোলেস্টেরল হওয়ার ঝুঁকি বেশি রয়েছে, তাদের এই সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আরেকটি বিষয় রয়েছে। অনেকের দেখবেন, চোখের কোণায় সাদা সাদা দেখা যায়। তাদের ক্ষেত্রে দেখতে হবে কোলেস্টেরল বেশি রয়েছে কি না। আবার যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের কিন্তু শরীরে ট্রাইগ্লিসারাইড বেশি হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে একটু বলে রাখি, রক্তে কোলেস্টেরল হলো চার ধরনের। একটি হলো টোটাল কোলেস্টেরল, আরেকটিকে হলো, – লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এলডিএল (একে খারাপ কোলেস্টেরল বলা হয়), আরেকটি হলো, হাইডেনসিটি লাইপোপ্রোটিন বা এইচডিএল (একে ভালো কোলেস্টেরল বলা হয়)। চার নম্বর হলো, ট্রাইগ্লিসারাইড। এখন এই চারটি কোলেস্টেরলের মধ্যে তিনটি ক্ষতিকর। আরেকটি ভালো।

এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি খারাপ হলো এলডিএল। এর যদি মাত্রা বেশি থাকে, তাহলে চর পড়া বা ব্লক হওয়ার প্রবণতা বাড়ে।

এই এইচডিএল কী করে? রক্ত পরিষ্কার করে। এইচডিএল রক্ত থেকে বাজে কোলেস্টেরলটা শোষণ করে নিয়ে যায়।

Continue Reading No Comments
Back to Top

Welcome to Amar Pharma

Enter your email and we will send you a coupon with 50% off your next order!