Create an Account

Shopping cart

Close

No products in the cart.

Finding a Good Essay Service

July 30, 2020
Posted by

If you’re looking for a great essay support, you’ll realize that there are a whole lot of options available to you on the internet. The real key to finding the ideal service would be to know what your needs are, then look for one which matches those requirements.

The very first thing you want to do is know what an essay service (more…)

Continue Reading No Comments

How to Buy Term Papers Online

July 29, 2020
Posted by

You can purchase term papers at internet shops. It’s quite feasible to find decent quality as well as cheap deals online. You simply have to understand to navigate the world wide web.

It’s quite feasible to discover great term papers and other educational materials at online shops. You want to make sure you are buying the ideal (more…)

Continue Reading No Comments

মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনা থেকে সুস্থ হলেন গভর্নর: জেনে নিন কীভাবে

April 8, 2020
Posted by

করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে ফিরে সোমবার (৬ এপ্রিল) এমনই তথ্য দিয়েছেন তিনি।

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস এখন ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপী। সময়ের সঙ্গে মহামারিতে রূপ নেওয়া করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকাই একমাত্র উপায় কারণ এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরিতে হিমশিম খাচ্ছে বিশ্বের বিজ্ঞানীরা। তাই এই ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার পরামর্শও দিয়েছে সরকার। কোয়ারেন্টিনে থাকার এই সময়টায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। এক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে দুটি উপাদান- মধু ও কালোজিরা। এবার তো মধু ও কালোজিরা খেয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনাও সামনে এলো। আর ঘটনাটি হচ্ছে নাইজেরিয়ার ওয়ো রাজ্যের গভর্নর সেয়ী মাকিন্দে শুধু ‘মধু ও কালোজিরা’ খেয়ে করোনাভাইরাস থেকে সুস্থ হয়েছেন।

প্রিমিয়াম টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাকিন্দে টুইটারে ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছেন। পরবর্তীতে করোনার সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করেছেন। অবশেষে তিনি জয়ী হলেন। শুধু কালোজিরা আর মধু খেয়েই তিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন। করোনার হাত থেকে বাঁচতে শরীরের ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ইমিউনিটিকে শক্তিশালী করার উপাদান আমাদের হাতেই রয়েছে।ইবাদানের ফ্রেশ এফএম-এ এক অনুষ্ঠানের সময় টেলিফোন সাক্ষাত্কারে মি. মাকিন্দে বলেছিলেন যে, আইসোলেশনে থাকার সময় তিনি শুধু মধু, ভিটামিন সি ও কালোজিরা খেয়েছেন। বিঃদ্রঃ তিনি পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হওয়ার এক সপ্তাহে কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠেন।

মাকিন্দে অনুষ্ঠানে বলেন, ওয়ো রাজ্যের স্বাস্থ্যসেবার দায়িত্বে নিয়োজিত আমার বন্ধু এবং ভাই ড. মুইদ্দিন ওলাতুনজি এসে আমাকে বলেন, আমি তোমার জন্য কালোজিরার তেল পাঠাচ্ছি। এটা তোমার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। আমি কালোজিরা তেলের সাথে মধু মিশিয়ে দিচ্ছি। সকালে ও রাতে এক চামচ করে খেতে হবে। সেগুলো খেয়ে আমি এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পাই।

তিনি বলেন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য সমাধান রয়েছে। আমি যেভাবে ভাইরাসটি থেকে মুক্তি পেয়েছি। তেমনি এটি আমাদের বেশিরভাগ মানুষের জন্যও কর্যকর পদ্ধতি হবে। করোনার এই সময়ে আতঙ্কিত হলে চলবে না। চিকিৎসকের উপদেশ মেনে চললে অতি দ্রুত সুস্থ হওয়া যায়। সুতরাং, অনাক্রম্যতা বাড়ানোর স্থানীয় সমাধান রয়েছে। আমাদের লোকদের হতাশ করা উচিত নয়। আমি যেমন আমার সিস্টেম থেকে ভাইরাসকে বের করতে সক্ষম হয়েছি, তেমনি এটি আমাদের বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেও বের করা সম্ভব হবে।

আইসোলেশনে থাকার সময়ের কথা উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘এসময় আমি কিছুটা ওজন কমিয়েছি। মনে হয় এটা আমার জন্য ভালো। আপনি যখন আইসোলেশনে থাকবেন, তখন শুধু টেলিভিশন দেখা ও খাওয়ার মধ্যেই থাকার প্রবণতা হবে। এসময় আমি আমলা খেয়েছি। তবে আমি ট্রেডমিলও ব্যবহার করছিলাম।’

নিজ রাজ্যের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে আমরা যে কর্মসূচি নিয়েছি তা মেনে চলবো। লকডাউনের যে নির্দেশনা আছে তা মেনে চলবো।’

এদিকে নাইজেরিয়ার এখন পর্যন্ত ২৩৮ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন পাঁচজন।

ওয়ো রাজ্যের রাজধানী ইবাদানে পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (পিডিপি) এর একটি গণসমাবেশে অংশ নেওয়ার এক সপ্তাহ পরে মাকিন্দে করোনায় আক্রান্ত হন।

Continue Reading No Comments

কোভিড-১৯ : হাসপাতালে যাওয়ার সময় এই সতর্কতাগুলি মেনে চলুন ,

April 8, 2020
Posted by

দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় অনেক সমস্যা দেখা দিলেও, রোগের বিরুদ্ধে লড়তে সকলে একত্রিত হয়ে মেনে নিয়েছেন এই লকডাউনকে। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে যদি আপনার কোনও শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয় তাহলে আপনার কী করণীয় সেটা নিশ্চয়ই ভাবছেন। কারণ, এই মুহূর্তে যেকোনও হসপিটাল বা ডাক্তারের চেম্বারে যাওয়া করোনা হওয়ার ঝুঁকিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়টা কোনও চেম্বার বা হসপিটালে না এসে অপেক্ষা করতে পারলেই ভালো হয়।

সমস্যাটা হয় বাড়ির শিশু বা বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে। ছোটখাটো অসুবিধে হলে না হয় চিকিৎসকদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার মাধ্যমে কিছু ওষুধ খাইয়ে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু যদি কিছু বাড়াবাড়ি হয় তাহলে উপায় কী? চেম্বার বা হসপিটালে নিয়ে যাওয়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনও পথ খোলা থাকে না। আপনাকেও যদি এই ধরনের অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়, সেক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন।

আমরা সকলেই জানি করোনা ভাইরাস কীভাবে সংক্রমিত হওয়া ব্যক্তির শরীর থেকে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। তাই সংক্রমণ এড়াতে আমাদের সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। এই ধরনের জরুরি অবস্থায় আপনি কোন কোন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন দেখে নিন আমাদের এই আর্টিকেলে। মেনে চললে সুস্থ থাকতে পারেন আপনিও।

যে জিনিসগুলি হাতের কাছে অবশ্যই রাখবেন

হাত ধোওয়ার সাবান, অ্যালকোহল বেসড হ্যান্ড স্যানিটাইজার, ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার এবং সাময়িক স্বস্তি পেতে যে ওষুধগুলো গ্রহণ করেছিলেন সেই সমস্ত ওষুধ সঙ্গে রাখবেন। সাবান, স্যানিটাইজার হাসপাতাল বা চেম্বারে থাকলেও নিজের সুবিধার জন্য কাছে রাখবেন। শিশুদের ক্ষেত্রে, তাদের খাবার, ডায়াপার বাড়ি থেকে নিয়ে যাবেন।

কী করণীয়

২) চেম্বারে ঢোকার আগে নিজের হাত সাবান দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নেবেন। ৩) হাত ধোয়ার পর ডিসপোজেবল টিস্যু পেপারে হাত মুছে নিন এবং সঠিক জায়গায় ফেলুন। কাপড় বা রুমাল দিয়ে হাত মুছবেন না। ৫) হাত মুছে ফেলার পর অ্যালকোহল বেসড স্যানিটাইজার ভালো করে হাতে লাগিয়ে নিন। ৬) চেম্বারে যদি বেশি লোক থাকে তাহলে বাইরে অপেক্ষা করাই ভালো। বসতে চাইলে অন্য রোগীদের থেকে এক মিটারের ব্যবধানে বসবেন। ৭) মুখে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করবেন। ৮) ডাক্তারবাবুর রুমে ঢোকার আগে আরেকবার স্যানিটাইজার হাতে দিয়ে নিন। ৯) দেখানো হয়ে যাওয়ার পর পুনরায় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে আরেকবার হ্যান্ড স্যানিটাইজার লাগিয়ে বাড়ি ফিরবেন। ১০) বাড়ি ফিরে বাড়ির কোনও জায়গায় না বসে সোজা বাথরুমে গিয়ে স্নান করে নিন। সমস্ত জামাকাপড় সাবান দিয়ে কেচে নিন। ১১) চেম্বারে হাঁচি বা কাশি দিলে টিস্যু ব্যবহার করুন এবং তৎক্ষণাৎ টিস্যুটি উপযু্ক্ত স্থানে ফেলে দিন এবং হাতে স্যানিটাইজার লাগিয়ে নিন।

শিশুদের ক্ষেত্রে যা করবে

১) শিশুদের হাতও ভালো করে সাবান দিয়ে ধুয়ে ডিসপোজেবল টিস্যু পেপার দিয়ে মুছে দিন। ২) চেম্বারে শিশুকে ছেড়ে দেবেন না। নিজের কোলেই শিশুকে রাখবেন। আবার অন্যের কোলেও শিশুকে দেবেন না। ৩) শিশুর মুখের লালা যেন চেম্বারের মধ্যে না পড়ে সেদিকে নজর রাখবেন। ৪) শিশু যদি একটু বড় হয় তবে তাকেও মাস্ক পরান। বাচ্চা যাতে তার আঙ্গুল মুখের ভেতরে প্রবেশ না করে সেদিকে নজর দেবেন। ৩) বাচ্চাকে নির্দিষ্ট জায়গায় আটকে রাখার ক্ষেত্রে কিছু খেলনা সঙ্গে রাখতে পারেন। তবে প্রয়োজন ছাড়া সেগুলি বার করবেন না। বাড়ি থেকে নিয়ে আসার সময় খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে আসবেন এবং চেম্বার থেকে ফেরার পরেও খেলনাগুলি সাবান জল দিয়ে ধুয়ে রাখবেন। ৪) ডাক্তার দেখানো হয়ে যাওয়ার পর একইভাবে বাচ্চার হাত পুনরায় সাবান জল দিয়ে ধুয়ে, মুছে দেবেন। ৫) বাড়ি ফিরে বাচ্চাকে গরম জলে স্নান করিয়ে দিন এবং তার কাপড় গুলি সাবান জল দিয়ে কেচে নিন। বিভিন্ন চিকিৎসক এবং বিশেষজ্ঞদের মত অনুযায়ী কোভিড-১৯ কে প্রতিরোধ করতে এই ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। তবে এই নিয়মগুলি কেবল করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নয়, অন্যান্য যেকোনও জীবাণুর থেকে রক্ষা পেতে মেনে চলার প্রয়োজন।

Continue Reading No Comments

বাংলাদেশে করোনাভাইরাস: বিশ্ব মহামারী বা প্যানডেমিক রোগটি থেকে নিজেকে যেভাবে নিরাপদ রাখতে পারেন

March 25, 2020
Posted by

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বিস্তর তথ্য এবং উপদেশ দিচ্ছেন।

আমি কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবো?

উপসর্গ বা লক্ষণগুলো কী?

Continue Reading No Comments

করোনাভাইরাস ঠেকাতে যা খাবেন

March 22, 2020
Posted by

করোনাভাইরাস সংক্রমণ এখন আরো বিপজ্জনক মাত্রা পাচ্ছে। চীনের বাইরে ১০৩টি দেশ ও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। এ পরিস্থিতিতে আমাদের জন্য সেই পুরোনো কথা ‘প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ উত্তম’ প্রযোজ্য এখন।

কোনোভাবেই যেন প্রাণঘাতী এই ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করতে না পারে, সেই চেষ্টা করতে হবে আমাদের। ঘনঘন হাত ধোয়া, কারো হাঁচি, কফ থেকে দূরে থাকা, বাইরে বের হওয়ার সময় মাস্ক পরা- এসব প্রাথমিক উদ্যোগ যেমন জরুরি, তেমনি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোও জরুরি। সেই জরুরি কাজের জন্য কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করলে উপকার পাবেন। চলুন জেনে নেই রোগ প্রতিরোধ বাড়ানোর ঘরোয়া উপায়গুলো কী।

আমলকী খাওয়া: পুষ্টিগুণে ভরপুর আমলকী শরীরের রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে অতুলনীয়। ভালো ফল পেতে চা-চামচের অর্ধেক আমলকি গুঁড়োর সাথে একটি রসুনের কোয়া থেতলে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন।

নিম পাতা: অনেক আগে থেকেই ভারতীয়রা খালি পেটে কঁচি নিম পাতা চিবিয়ে খেতেন। এটি রক্ত পরিশুদ্ধ করে। কঁচি নিম পাতায় অ্যান্টি ভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় বলে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে উল্লেখ আছে। 

মসলাদার চা: কয়েকটি তুলসী পাতা, এক টুকরো আদা ও পরিমাণ মতো গোল মরিচ মিশিয়ে চা পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

কমলার জুস: নিয়মিত এক গ্লাস কমলার জুসের সাথে সামান্য গোল মরিচের গুঁড়ো মিশিয়ে পান করুন। এতে প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পাবেন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

আদা ও তুলসী পাতা: আদার রসের সাথে কয়েকটি তুলসী পাতা বেটে সেই রস পান করুন। এর সাথে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে নিলে উপকার পাবেন। এরকম মিশ্রণ প্রতিদিন পান করলে কফ দূর হবে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

তুলসী ও গোল মরিচ: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৫/৭টি তুলসী পাতার সাথে এক চামচ মধু ও দুটো গোল মরিচ গুঁড়ো করে মিশিয়ে পান করুন। কিন্তু এরপর পানি পান করা যাবে না। 

শক্তিবর্ধক বড়ি: এক চা-চামচ গুঁড়ো হলুদ, এক চামচ গুড়, এক চামচ ঘি, এক চামচ শুকনো আদার পাউডার ভালো করে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করুন। প্রতিদিন ২-৩টা করে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। 

হলুদ মেশানো দুধ: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে অনেক আগে থেকেই হলুদ মেশানো দুধ পান করার প্রচলন আছে ভারতীয় উপমহাদেশে। করোনাভাইরাসের মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস যখন ছড়িয়ে পড়ছে, তখন এক কাপ গরম দুধের সাথে চা-চামচের অর্ধেক হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়মিত পান করুন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে পান করলে উপকার পাবেন। 

Continue Reading No Comments

মৃত্যুর আগে বিজ্ঞানী রেখে গেছেন করোনার ভ্যাকসিন

March 22, 2020
Posted by

করোনাভাইরাস মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। যদিও এটি বৈশ্বিক মহামারি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্যের প্রয়াত এক বিজ্ঞানীর পরিবার দাবি করেছে, ওই বিজ্ঞানীর আবিষ্কার করা একটি ভ্যাকসিন (টিকা) করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হতে পারে।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে শতাধিক দেশে। বিশ্বের প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে এই সংবাদ আশাপ্রদ মনে হলেও, গবেষকরা এ ব্যাপারে এখনও কোনো মন্তব্য করেননি।

বিজ্ঞানী এরিক ওয়ার্লো ২০১৪ সালে ৮৪ বছর বয়সে মারা যান। তবে এর আগে তিনি গুরুত্বপূর্ণ একটি আবিষ্কার রেখে গেছেন বলে পরিবার থেকে দাবি করা হয়েছে।

তার মেয়ে জেন (৬৫) জানিয়েছেন, এরিক এইচ-৫এন ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রতিষেধক হিসেবে বেসরকারি বিনিয়োগে একটি ভ্যাকসিন তৈরি করেছিলেন, যা কোভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে। দাবি করা হচ্ছে, ভ্যাকসিনটি মানুষের ক্ষেত্রে একটি উপযুক্ত টিকা হিসেবে প্রমাণিত হতে পারে।

ভ্যাকসিন বিজ্ঞানী হিসেবে অবসর নেওয়া ওয়ার্লো মৃত্যুর আগে তাঁর গবেষণা এবং ফলাফল নিয়ে একটি নিবন্ধ লিখেছিলেন। এটি পিয়ার-রিভিউ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। তার পরিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গবেষণাপত্রটি ইতোমধ্যেই পাঠিয়েছেন। কারণ তারা মনে করছেন, এই পদ্ধতি ব্যবহার করে তৈরি করা ভ্যাকসিন মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস নির্মূলে সহায়ক হবে।

জেন বলেন, ‘আমরা বিজ্ঞানী নই বা আমরা কোনো গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা ফার্মাসিউটিক্যালস সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নই। বর্তমানে ইতোমধ্যে যেখানে করোনার ভ্যাকসিন তৈরির নানা পদ্ধতি এবং পরীক্ষায় বিনিয়োগ করা হচ্ছে,  সেখানে এই গবেষণাটি দৃষ্টি আকর্ষণ করতে কঠিন হবে বলে ধারণা করছি। কিন্তু বৈশ্বিক জরুরি পরিস্থিতির এই মুহূর্তে আমরা মনে করি, করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন সমস্যার দ্রুত, সহজ এবং দরকারি সমাধান হতে পারে কিনা তা দেখার জন্য সত্যিই এ ভ্যাকসিনে নজর দেওয়া উচিত।’

জেনের মতে, ভ্যাকসিনটির প্রধান এবং অনন্য সুবিধা হলো- এটি নাকে ড্রপের মাধ্যমে ব্যবহার করা যায়, যা নাক এবং ফুসফুস রক্ষার প্রথম সুরক্ষা নিশ্চিত করে। এবং স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরিকালীন সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। ভ্যাকসিনটি উৎপাদন করা সহজ এবং এর আগে ব্যাপকভাবে পরীক্ষা করাও হয়েছিল। পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলও খুব সফল ছিল।

এছাড়া আরেকটি অপ্রত্যাশিত এবং অনন্য প্রভাব হচ্ছে-ইতোমধ্যে সংক্রমণ উপসর্গ দেখানো পাখিগুলোর মধ্যে এই রোগের অগ্রগতি থামিয়ে দিয়েছিল ভ্যাকসিনটি।

মৃত্যুর কিছুদি আগে বিজ্ঞানী ওয়ার্লো ভ্যাকসিনটি পরিচালনা পদ্ধতির আরেকটি উপায় লিখেছিলেন। সেখানে তিনি ব্যাখ্যা করেছিলেন, কীভাবে এটি ‘অভূতপূর্ব নিরাময়’ প্রভাব ফেলেছিল।

জেন বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুভার্বের আগে তার বাবা এমন কিছু ঘটতে পারে ধারণা করেছিলেন। কিন্তু হতাশ হয়েছিলেন যে তিনি তার ভ্যাকসিনের জন্য কারো দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেননি। তিনি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন। মৃত্যুর ঠিক আগে তিনি ভ্যাকসিনটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং ব্যবহারের চূড়ান্ত উপায় তার ছেলে ও মেয়ে জন্য রেখে গেছেন।

বিজ্ঞানী ওয়ার্লো জীবদ্দশায় ইউএন ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন এবং ইউকে ডিপার্টমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টে ভ্যাকসিন টেকনোলজিস্ট হিসেবে ৫০ বছর কাজ করেছেন।

Continue Reading No Comments
Back to Top

Welcome to Amar Pharma

Enter your email and we will send you a coupon with 50% off your next order!